শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:২৪
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

খোলা বাজার থেকে চাল কিনে প্যাকেটে করে বিক্রি করা যাবে না

ডেস্করিপোর্ট  খোলা বাজার থেকে চাল কিনে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করা যাবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এ সংক্রান্ত একটি আইন করতে যাচ্ছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই ম্যাসেজটা বিভিন্ন জায়গায় দেওয়া হয়েছে। খুচরা কিনে তারা প্যাকেট করতে পারবে না। মিল মালিকরা নিজস্ব প্রডাকশন বিক্রি করতে পারবেন।

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত সোমবার দেওয়া নির্দেশনার পর এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অতি দ্রুত এ আইন করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও বাজার মনিটর করছেন। যারা মজুত করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের কেউ হলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

চাল সিন্ডিকেটকে শায়েস্তা করতে প্রয়োজনে চাল আমদানি করে দাম স্বাভাবিক করা হবে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বোরো কেটেছি, এরপর আউশ আসবে, এটা শেষ করতে করতে আমন আসবে। অতএব আমাদের এখানে অভাব হওয়ার কথা না। যদি আমরা দেখি যে মানুষের খাবারের চালটা বেশি লাগছে তাহলে আমরা আমদানি করবো। ভরা মৌসুমে কোনো সমস্যাই হবে না।

ধারাবাহিকভাবে চালের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র বলেন, প্রত্যেক চালের বাজারে, আড়তে এবং মিলে এমনটি গ্রামাঞ্চলেও কৃষক ছাড়া কেউ যদি ধান কিনে মজুদ রাখে সেখানেও অভিযান চালানো হচ্ছে। এটা ধারাবাহিকভাবে চলবে।